Loading...
Language: Bengali
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিতর নামাজে তিনটি সূরা পাঠ করতেন: সূরা আল-আলা:
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الْأَعْلَى ﴿١﴾ الَّذِي خَلَقَ فَسَوَّىٰ ﴿٢﴾ وَالَّذِي قَدَّرَ فَهَدَىٰ ﴿٣﴾ وَالَّذِي أَخْرَجَ الْمَرْعَىٰ ﴿٤﴾ فَجَعَلَهُ غُثَاءً أَحْوَىٰ ﴿٥﴾ سَنُقْرِئُكَ فَلَا تَنسَىٰ ﴿٦﴾ إِلَّا مَا شَاءَ اللَّهُ ۚ إِنَّهُ يَعْلَمُ الْجَهْرَ وَمَا يَخْفَىٰ ﴿٧﴾ وَنُيَسِّرُكَ لِلْيُسْرَىٰ ﴿٨﴾ فَذَكِّرْ إِن نَّفَعَتِ الذِّكْرَىٰ ﴿٩﴾ سَيَذَّكَّرُ مَن يَخْشَىٰ ﴿١٠﴾ وَيَتَجَنَّبُهَا الْأَشْقَى ﴿١١﴾ الَّذِي يَصْلَى النَّارَ الْكُبْرَىٰ ﴿١٢﴾ ثُمَّ لَا يَمُوتُ فِيهَا وَلَا يَحْيَىٰ ﴿١٣﴾ قَدْ أَفْلَحَ مَن تَزَكَّىٰ ﴿١٤﴾ وَذَكَرَ اسْمَ رَبِّهِ فَصَلَّىٰ ﴿١٥﴾ بَلْ تُؤْثِرُونَ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا ﴿١٦﴾ وَالْآخِرَةُ خَيْرٌ وَأَبْقَىٰ ﴿١٧﴾ إِنَّ هَٰذَا لَفِي الصُّحُفِ الْأُولَىٰ ﴿١٨﴾ صُحُفِ إِبْرَاهِيمَ وَمُوسَىٰ ﴿١٩﴾
বিসমিল্লাহির-রাহমানির-রাহীম। (১) সাব্বিহিসমা রাব্বিকাল 'আলা। (২) আল্লাজি খালাকা ফাসাওওয়া। (৩) ওয়াল্লাজি কদ্দার ফাহাদা। (৪) ওয়াল্লাজি আখরাজাল মার'আ। (৫) ফাজা'আলাহু গুসা'আন আহওয়া। (৬) সানুকরিউকা ফালা তানসা। (৭) ইল্লা মা শা-আল্লাহু। ইন্নাহু ইয়া'লামুল জাহরা ওয়া মা ইয়াখফা। (৮) ওয়া নুয়াসসিরুকা লিল ইউসরা। (৯) ফাযাক্কির ইন নাফা'আতিজ জিকরা। (১০) সাইয়ায্যাক্কারু মান ইয়াখশা। (১১) ওয়া ইয়াতাজান্নাবুহাল আশকা। (১২) আল্লাজি ইয়াসলান নারাল কুবরা। (১৩) সুম্মা লা ইয়ামুতু ফিহা ওয়া লা ইয়াহইয়া। (১৪) কদ আফলাহা মান তাযাক্কা। (১৫) ওয়া যাকারাসমা রাব্বিহি ফাসাল্লা। (১৬) বাল তু'ছিরুনাল হায়াতাদ দুনিয়া। (১৭) ওয়াল আখিরাতু খাইরুউ ওয়া আবকা। (১৮) ইন্না হা-যা লাফিস সুহুফিল উলা। (১৯) সুহুফি ইব্রাহীমা ওয়া মুসা।
(১) আপনার সুমহান রবের নামের পবিত্রতা ঘোষণা করুন, (২) যিনি সৃষ্টি করেছেন এবং সুবিন্যস্ত করেছেন (৩) এবং যিনি তকদীর নির্ধারণ করেছেন এবং তারপর পথ প্রদর্শন করেছেন (৪) এবং যিনি চারণভূমি বের করেছেন (৫) তারপর তিনি সেটাকে কালচে আবর্জনায় পরিণত করেছেন। (৬) আমি আপনাকে পাঠ করাব, ফলে আপনি ভুলে যাবেন না, (৭) তবে আল্লাহ যা ইচ্ছা করেন তা ছাড়া। নিশ্চয়ই তিনি জানেন যা প্রকাশ্য এবং যা গোপন। (৮) এবং আমি আপনাকে সহজ পথের জন্য সহজ করে দেব। (৯) সুতরাং উপদেশ দিন, যদি উপদেশ উপকারে আসে; (১০) যে ভয় করে সে উপদেশ গ্রহণ করবে। (১১) কিন্তু হতভাগা তা এড়িয়ে চলবে - (১২) যে মহা-াগুনে প্রবেশ করবে এবং পুড়বে, (১৩) সেখানে সে মরবেও না এবং বাঁচবেও না। (১৪) নিশ্চয়ই সে সফল হয়েছে যে নিজেকে পবিত্র করেছে (১৫) এবং তার রবের নাম স্মরণ করেছে এবং নামাজ পড়েছে। (১৬) কিন্তু তোমরা দুনিয়ার জীবনকে প্রাধান্য দাও, (১৭) অথচ আখেরাতই উৎকৃষ্ট এবং বেশি স্থায়ী। (১৮) নিশ্চয়ই এটি পূর্ববর্তী সহিফাগুলোতে রয়েছে, (১৯) ইব্রাহীম ও মুসার সহিফাগুলোতে। (সূরা আল-আলা ৮৭: ১-১৯)
Reference: সহীহ (আলবানী)। আবু দাউদ: ১৪২৩